আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোল হজমের পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ৬৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে নিকোলাস গঞ্জালেস আক্রমণে নতুন গতি আনেন। ৬৯ মিনিটে লিওনেল মেসির ক্রস থেকে তার হেড দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
৭২ মিনিটে কোচ লিওনেল স্কালোনি একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন এনে রদ্রিগো দে পল, গঞ্জালো মন্তিয়েল ও নিকোলাস ওতামেন্দিকে মাঠে নামান। এরপর আরও ধারালো হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনার আক্রমণ। ৭৬ মিনিটে দে পলের ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
অবশেষে ৮৫ মিনিটে সমতায় ফেরে আলবিসেলেস্তেরা। কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বল পেয়ে দূরপাল্লার জোরালো শটে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে (৯০+২) মেসির তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে হেডে জয়সূচক গোল করেন বদলি স্ট্রাইকার লাউতারো মার্টিনেজ। তাতেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন, যারা অন্য সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে।
