গতকাল বুধবার নগরের চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করা। প্রধানমন্ত্রী প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাহী বিভাগকে দলীয়করণ বা অপব্যবহার থেকে বিরত রেখে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি সরকারের রয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঈদের আগেই এ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ইউনিটগুলোকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান মন্ত্রী।
কৃষক কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষিযন্ত্র ও কৃষিঋণসহ বিভিন্ন সেবা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে মধ্যস্বত্বভোগী ও দুর্নীতির সুযোগ না থাকে। কৃষিঋণের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলেও জানান তিনি। মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য ভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রেও কার্ডভিত্তিক স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।
বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ চট্টগ্রাম জেলা ও বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
