মো. সোহেল ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহরেরে সেইলস কলোনী এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
তিনি স্ত্রী, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গত শনিবার ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নগরীর কাটঘর আম্বিয়া পেট্রোল পাম্পের বিপরীত পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ওই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত মো. সোহেল দক্ষিণ হালিশহর আলী শাহ পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
তিনি দীর্ঘদিন ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ইপিজেড থানায় সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দুর্ঘটনার মাত্র এক ঘণ্টা আগেও তিনি নগরীর একটি অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে হাসপাতাল থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সোহেলের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ইপিজেড থানা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে।
