এ নিয়ে চট্টগ্রামে হামের উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যু হলো।
চমেক হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, শিশুটি প্রথমে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিল। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (পিআইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে একই হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেক শিশুর মৃত্যু হয়। ওই শিশুটির বয়স ছিল ছয় মাসের কম, এবং সেও কক্সবাজার অঞ্চলের বাসিন্দা।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত আটজনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ১৮ জন ভর্তি হয়েছেন।
এ ছাড়া হামের লক্ষণযুক্ত ১১১ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নতুন করে আরও ১২টি নমুনা পাঠানো হওয়ায় মোট নমুনা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৩টিতে।
এদিকে হাম সন্দেহে আরও ১৭ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০ জনে। তবে জেলার ১৫টি উপজেলায় নতুন কোনো সন্দেহভাজন রোগীর খবর পাওয়া যায়নি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুটির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আক্রান্ত শিশুটিকে কুতুবদিয়া থেকে প্রথমে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মহানগর এলাকায় বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আক্রান্ত ও সন্দেহভাজনদের চিকিৎসার আওতায় আনার পাশাপাশি নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।
