বাণীতে তারেক রহমান বলেন, “পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।” তিনি উল্লেখ করেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর ঈদুল ফিতর মানুষের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।
রমজান মাসের শিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে মানুষ আত্মনিয়ন্ত্রণ শেখে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে পারে। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে।
তিনি আরও বলেন, ঈদ ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। এ দিনে সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ঈদের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।
বাণীর শেষাংশে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত যেন সবার জীবনে বর্ষিত হয় এবং দেশ ও জাতি শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায়।
