সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সংগঠনের তথ্যমতে, সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে মোট ৩৭৭টি দুর্ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটেছে সড়ক-মহাসড়কে। ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৫১ জন এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ৪৬ জন। রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত ও ২২৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া নৌপথে ৮টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত এবং এখনো ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৫ জন, যা সামগ্রিক প্রাণহানির একটি বড় অংশ।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, গত বছরের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৮.৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৮.২৬ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা বেড়েছে ২১.০৫ শতাংশ। জাতীয় মহাসড়কগুলোতেই সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, এবারের ঈদে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবের কারণে ভাড়া নৈরাজ্য, সড়ক দুর্ঘটনা এবং পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা আগের দুই ঈদের তুলনায় বেড়েছে।
সংগঠনটি সড়ক নিরাপত্তা জোরদার, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
