তিনি ভুজপুর থানার দাঁতমারা এলাকার আবদুল মজিদ খানের মেয়ে। গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় এ সাজা দেয়া হয়। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মুহম্মদ কবির হোসাইন বলেন, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি তাজকেরাতুন নেছাকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় ৩ বছর ও ৪২০ ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৬৪ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে গ্যাস ও ওয়াসার বিল বাবদ ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫৩ টাকা সংগ্রহ করেন ইউসিবি ব্যাংকের হালিশহর শাখার বরখাস্তকৃত জুনিয়র ক্যাশ অফিসার তাজকেরাতুন নেছা। কিন্তু তিনি ওই অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে আত্মসাৎ করেন। পরে জরিমানাসহ মোট ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪২৩ টাকার মধ্যে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৯ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৬৪ টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন।
এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন তৎকালীন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন। মামলায় আসামির বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
