অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে। গত শনিবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার বালুটিলা এলাকায় আয়োজিত এই মানববন্ধনে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারাও অংশ নেন। মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির সেক্রেটারি মো. আনোয়ার, বালুটিলা বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম, সমাজকর্মী মো. আবুল কাশেম, মো. আবদুল খালেকসহ অন্যরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এলাকায় কোনো স্থাপনা নির্মাণ বা মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করতে গেলেই ওই কর্মকর্তা বাধা দেন এবং মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে উচ্ছেদ ও মামলার হুমকি দেওয়া হয়। এই অঞ্চলের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নেটওয়ার্ক সংকটে ভুগছেন। একটি মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসিএফ হারুনের বাধার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি ঘুষ না পাওয়ায় বারবার আপত্তি দিচ্ছেন। আমরা তার অপসারণ চাই। এসিএফের কারণে কেউ শান্তিতে নেই। প্রতিটি স্থাপনা থেকে তিনি চাঁদা নেন। ঘুষ ছাড়া তিনি কিছুই বোঝেন না। সরকার পরিবর্তনের পর তার ঘুষের চাহিদা দ্বিগুণ বেড়েছে।
সমস্ত অভিযোগ ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়ে এসিএফ হারুন অর রশিদ বলেন, “চাঁদা দাবির বিষয়টি অবান্তর। যারা অভিযোগ করছেন, আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুক। যেহেতু জায়গাটি বন বিভাগের, তাই যেকোনো স্থাপনার জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রয়োজন। তারা ইতিবাচক সাড়া দিলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা থাকবে না।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, এই অঞ্চলের অর্ধশত গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট দীর্ঘদিনের। ২০১৪ সালে একটি মোবাইল অপারেটরের টাওয়ার স্থাপন করা হলেও চাঁদাবাজি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে ২০১৮ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে হাজার হাজার মানুষ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত।
