আর এ সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছেন ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলা বার এসোসিয়েশনের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দসহ ৩১৫ বিশিষ্ট আইনবিদ।
বিবৃতিদাতারা বলেন, বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম তার জনসংখ্যা, ভৌগলিক অবস্থান ও জনসংখ্যানুপাতে পৃথক ও পূর্নাঙ্গ হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠার দাবী দীর্ঘদিনের। ঢাকা কেন্দ্রিক আমলাতান্ত্রিক বুদ্ধিজীবী, স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক এ যৌক্তিক দাবির বিরোধীতা আজকের নতুন নয়।
তাদের দাবী বৈষম্যমূলক, কারণ ঢাকায় থাকা আইনজীবীরা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করবে অন্যরা তাদের চেয়ে বেশি মেধাবী হলেও হাইকোর্টে রাজধানী কেন্দ্রীভূত থাকার কারণে প্র্যাকটিস করতে পারবে না তা কোনভাবে ন্যায় সঙ্গত নয়। দেশের বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে বিচার প্রার্থীদের দুর্ভোগ কমাতে এ সংস্কার প্রস্তাবের আলোক চট্টগ্রামে অবিলম্বে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ বেঞ্চ প্রতিষ্ঠার জোর দাবী জানাই।
বিবৃতিদাতারা এ দাবির সমর্থনে দুর্বার গণআন্দোলনের জন্য বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসী প্রস্তুত আছে মর্মে ঘোষণা দেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন সংস্কার কমিটি কর্তৃক বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর ও বানিজ্যিক রাজধানী খ্যাত বৃহত্তম বিভাগীয় শহর চট্টগ্রামে এডমিরালটি ও কোম্পানি জুরিসডিকশন সহ হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ স্থায়ী বেঞ্চের সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছেন।
ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলা বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সদস্য এডভোকেট এস এম বদরুল আনোয়ার (হাইকোর্ট বাস্তবায়ন পরিষদের বর্তমান আহ্বায়ক), এডভোকেট শামসুদ্দিন আহমদ মির্জা, মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ, খোরশেদ আলম চৌধুরী, রেজাউল করিম চৌধুরী (রেজা), দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, আব্দুল কুদ্দুস, আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী, মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মো. রফিকুল কাদের, মো. সালেহ উদ্দিন হায়দার সিদ্দিকী, মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ মোক্তার আহমদ, মুহাম্মদ এনামুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ হাশেম, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী, রতন কুমার রায়, মনতোষ বড়ুয়া, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, বর্তমান সভাপতি আবদুস সাত্তার, সেক্রেটারী হাসান আলী চৌধুরী, সাবেক সেক্রেটারী আবদুর রাজ্জাক, সাবেক এজিএস কাশেম কামাল, বর্তমান এজিএস ফজলুল বারিসহ জিয়াউদ্দিন আহমেদ শিবু, ফয়েজ উল্লাহ, চন্দন দাশ, রতন কুমার রায়, সাইফুদ্দিন মাহমুদ, সুভাষ চন্দ্র লালা, এম. এ সোবহান, মোহাম্মদ হুমায়ুন আকতার, আখতার কবির চৌধুরী, মো. নজমুল আহসান খাঁন (আলমগীর),হুমায়ুন কবির রাসেল, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ফারুক, জিয়াউদ্দিন আহাম্মদ, মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, মাহবুবুল আলম, অশোক কুমার দাশ, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, এস. এম জাহেদ বীরু, মোহাম্মদ আবু হানিফ, মোহাম্মদ আইয়ুব খান, এ.এইচ.এম. জিয়াউদ্দিন, মানবাধিকার নেতা জিয়া হাবীব আহ্সান, এএইচএম জসীম উদ্দিন, এ.এস.এম. বজলুর রশিদ (মিন্টু), সৈয়দ মোহাম্মদ হারুন, বদরুল হুদা মামুন, নুরুল আমীন, ছরোয়ার কামাল, শফিক উল্লাহ্, সৈয়দ আবুল কাশেম, নুরুল ইসলাম, শংকর প্রসাদ দে, মানস দাস, মাহফুজুল আলম, কাজী মাফজুর রহমান, বদরুল রিয়াজ, কাজী আশরাফুল হক আনসারী, মাফফুজুল আলম, কাইসার হামিদ, ওমর ফারুক, মোঃ হাসান আলী, মোঃ বদরুল হাসান প্রমুখ সহ সর্বমোট ৩১৫ জন বিশিষ্ট আইনবিদ।
