রবিবার (১ মার্চ) সদর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার কণার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার কণা জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে নগরের মুরাদপুর এলাকায় ‘বারকোড সুইটস এন্ড কনফেকশনারি (কিচেন)’ এ গিয়ে দেখা যায়, রান্নাঘরের ফ্লোর স্যাঁতসেঁতে, টাইলস ভাঙা ও অপরিচ্ছন্ন। নষ্ট ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ করা হচ্ছিল এবং ফ্রিজের ভেতরে তেলাপোকা ও ছারপোকার উপস্থিতি ছিল।
রান্নাঘরে বিড়াল ঘোরাফেরা করছিল এবং খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে অবহেলা লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া ঘি পণ্যে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ লেবেলিং না থাকা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ না করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের দায়ে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩৮ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
এদিকে নগরের পাঁচলাইশ এলাকায় ‘মিঠাই’ আউটলেটে অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খেজুর মোড়কজাত, সংরক্ষণ ও বিক্রয় এবং খাদ্যপণ্যে অসম্পূর্ণ লেবেলিংসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ঘটনাস্থলেই তা আদায় করা হয়।
অভিযান শেষে নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. ফরহান ইসলাম বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রয় এবং লেবেলিং সংক্রান্ত অনিয়মের কারণে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয় চট্টগ্রামের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এবং পাঁচলাইশ থানা পুলিশ অংশ নেন।
