কাকতালীয়ভাবে দুজনই বৃহত্তর চট্টগ্রামের সন্তান। শুধু তাই নয়, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, তিনিও চট্টগ্রামের মানুষ।
ফলে ডাকসুর শীর্ষ নেতৃত্বে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে চট্টগ্রামের প্রভাব। কেন্দ্রীয় সংসদের সম্পাদকীয় ও সদস্য পদের আরও পাঁচটিতেও জয়ী হয়েছেন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা। হল সংসদগুলো মিলিয়ে এই সংখ্যা আরও বড়।
বিজয়ীদের পরিচয়ে দেখা যায়, ভিপি হিসেবে আবু সাদিক কায়েম (সাতকানিয়া/খাগড়াছড়ি), জিএস এস এম ফরহাদ (লোহাগাড়া/রাঙামাটি), মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা (মহেশখালী, কক্সবাজার), কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা (সাতকানিয়া), কার্যকরী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা (রাঙামাটি), রায়হান উদ্দিন (সাতকানিয়া), হেমা চাকমা (খাগড়াছড়ি)। আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন রায়হান উদ্দিন ও উম্মে ছালমা—ডাকসুর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে নির্বাচনে জয়ী হয়ে নেতৃত্ব দেবেন।
সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও কক্সবাজার—বৃহত্তর চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বিস্তারে ছড়িয়ে থাকা এই তরুণ-তরুণীরা যেন বার্তা দিচ্ছেন রাজধানী-নির্ভর রাজনীতির সমীকরণেও প্রান্তিক এলাকার শিক্ষার্থীরা সমান সক্ষম।
ভিপি পদে আবু সাদিক কায়েমের জয়কে ঘিরে তার গ্রাম সাতকানিয়ায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। একই চিত্র ফরহাদের জন্মভিটা লোহাগাড়ায়ও। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ডাকসুর এই নেতৃত্ব ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
