বাঁশখালীর সাত লাখ জনসাধারণকে সাধ্যের মধ্যে উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে নির্মাণ করা হবে বিশেষায়িত এ হাসপাতাল। গত শনিবার (০৫ জুলাই) রাত ৯টায় নগরীর একটি কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাঁশখালীর প্রথিতযশা চিকিৎসক থেকে শুরু করে তরুণ চিকিৎসকসহ প্রায় পঞ্চাশজনের অধিক চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম একথা বলেন।
সিভিল সার্জন বলেন, ‘এই হাসপাতাল বাঁশখালীর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় ক্ষমতার কথা মাথায় রেখে সাজানো হবে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাঁশখালীর চিকিৎসক সমাজ একত্রিত হয়েছেন। আমাদের যে সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে সেই দায়বদ্ধতার অংশবিশেষ আমরা এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও সেবা দানের মাধ্যমে মিটাতে বদ্ধপরিকর।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ডা. পিসি পাল, ডা. ফররুখ আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবু ইউসুফ চৌধুরী, সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, ডা. সৈয়দ মেজবাহুল হক, ডা. এ ইউএম সলিমুল্লাহ, ডা. নিনা ফারুক, ডা. সাবরিনা আলম, ডা. রুমি দাশ, ডা. ফেরদৌসী বেগম, ডা. মোহাম্মদ জাহেদ উদ্দিন, ডা. আমিনুল ইসলাম তারেক, ডা. পঞ্চানন আচার্য্য, ডা. মোহাম্মদ শাহেদ আলী খান, ডা. রাকিব আহসান খান, ডা.দেবজ্যোতি দাশ, ডা. আবদুল গফুর, ডা. মোহাম্মদ রাশেদুল করিম সুজন, ডা. মোফাচ্ছের ফারুক, ডা. মোহাম্মদ নাফিস শাহরিয়ার চৌধুরী, ডা. মোহাম্মদ লতিফুর রহমান শাকিল, ডা. সাকিব হোসেন, ডা. মোহাম্মদ রাশেদুল করিম সুজন, ডা. দিদারুল হক সাকিব, ডা. মো. কফিল উদ্দিন, ডা. সওগাত উল ফেরদৌস, ডা. মোহাম্মদ তৌফিকুল আলম, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, ডা. মিনহাজুল হক, ডা. রজত বিশ্বাস, ডা. শাহেদ বিন মোস্তফা, ডা. বিএম মফিজুর রহমান, রকিবুল ইসলাম, আনিসুর রহমান, আবু ওবায়দা আরাফাত, রহিম সৈকত, মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, আনাস বিন ইকবাল, নূর উদ্দিন পারভেজ, মো. মাহফুজ প্রমুখ।