মূল সংবাদে যান
অপরাধ

চট্টগ্রাম চন্দ্রনগরের পানিবাহিত রোগে বৃদ্ধের মৃত্যু, হাসপাতালে অর্ধশতাধিক

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চন্দ্রনগরের একটি আবাসিক কলোনিতে ট্যাংকের পানি দূষিত থাকার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে| এ ঘটনায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে|

আমাদের বাংলা সম্পাদকীয় দল
চট্টগ্রাম চন্দ্রনগরের পানিবাহিত রোগে বৃদ্ধের মৃত্যু, হাসপাতালে অর্ধশতাধিক

একই সঙ্গে অর্ধশতাধিক বাসিন্দা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন| ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে|

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে চন্দ্রনগরের বাবুল সাহেবের কলোনির ভাড়াটিয়া মো. আব্দুল মতিন (৭৫) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান| তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরজব্বার বাজার এলাকায়| এ ঘটনায় কলোনির বাসিন্দাদের অভিযোগ, ট্যাংকে সংরক্ষিত পানিতে জীবাণু থাকার কারণেই গণহারে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন| তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি|

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, "ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ওই কলোনিতে এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে শুনেছি| প্রকৃত ঘটনা জানতে পুলিশের একটি মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে| তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে|"

স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল হোসেন জানান, কলোনিটির মালিক আবুল হাশেম বাবুল| সেখানে এক হাজারের বেশি মানুষ ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন| কলোনিতে ওয়াসার কোনো পানির সংযোগ নেই; গভীর নলকূপের পানি একটি সংরক্ষণ ট্যাংকের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়| তার দাবি, দীর্ঘদিন ট্যাংকটি পরিষ্কার না করায় পানিদূষণের আশঙ্কা ˆতরি হয়েছে| বৃহস্পতিবার থেকে কলোনির বাসিন্দারা গণহারে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে শুরু করেন| পরে অসুস্থদের মধ্যে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়|

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২৫ থেকে ৩০ জন মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আরও ২০ থেকে ২৫ জন সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন| এছাড়া আরও অর্ধশতাধিক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে তারা দাবি করেছেন| ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে| আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ¯^াভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে|

এদিকে, পানিতে জীবাণু থাকার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে ¯^াস্থ্য বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরীক্ষার ফল এখনো পাওয়া যায়নি| তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন|

আমাদের বাংলা সম্পাদকীয় দল

আমাদের বাংলা-এ প্রকাশিত সংবাদ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন