মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর বিকেল থেকে ২৭ অক্টোবর বিকেলের মধ্যে যেকোনো সময়ে দোকানে যাওয়ার পথে বর্ষাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে শিকদার হোটেলের পাশের নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়।
টিসিবির সিলযুক্ত বস্তার সূত্র ধরে মুদিদোকানের কর্মচারী লক্ষণ দাশকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে অপরাধ স্বীকার করেন।
ডিএনএ পরীক্ষা ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেতে দীর্ঘ সময় লাগায় তদন্তে বিলম্ব হলেও ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ বদলি হয়ে ৩০ মার্চ ২০২৬ অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়। এর আগে আসামিকে আদালতে হাজির না করায় এবং ট্রাইব্যুনাল পরিবর্তনের কারণে একাধিকবার শুনানি পিছিয়ে যায়।
মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের (বিএইচআরএফ) মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেন, দীর্ঘসূত্রতার কারণে সাক্ষীদের আদালতে হাজির করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং এতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।