শনিবার (১৪ মার্চ) নগরের ইপিজেড থানার আকমল আলী পকেট গেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)-৭ এর সহকারী পরিচালক এ. আর. এম মোজাফফর হোসেন।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক বলেন, মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে নজরদারি বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মো. রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে পাহাড়তলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
র্যাব জানায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পাহাড়তলী থানার বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি এলাকায় আকাশ দাশ (২৬) নামের এক যুবককে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আকাশ দাশ দক্ষিণ কাট্টলী ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাশের ছেলে। তিনি পাহাড়তলী থানাধীন বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরিতে হেলপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন ফ্যাক্টরির শোল্ডার শাখার কর্মচারী মাইকেলকে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘবদ্ধ হয়ে ফ্যাক্টরির সামনের গেট থেকে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়। এ সময় আকাশ দাশ তাকে উদ্ধার করে ফ্যাক্টরির মূল গেটে নিয়ে আসেন।
পরে মো. রাতুলসহ ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আকাশ দাশকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। ওইদিনই তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাবুল দাশ পাহাড়তলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
