বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কিছু কিছু জুলাই যোদ্ধা আহত নয়, আন্দোলনে সম্পৃক্ত থেকে আহত হয়নি এবং কয়েকজনের নামে একাধিক গেজেট প্রকাশিত হওয়ার গেজেট বাতিলের জন্য জেলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
সরকারি গেজেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন এবং আহত ১৩ হাজার ৮০০ জন। ‘জুলাই যোদ্ধা’রা মাসিক সম্মানীসহ সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পান। অতি গুরুতর আহত ব্যক্তিদের ‘ক’, গুরুতর আহত ব্যক্তিদের ‘খ’ এবং আহত ব্যক্তিদের জন্য ‘গ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ‘ক’ শ্রেণির আহতদের মাসিক সম্মানী ২০ হাজার, ‘খ’ শ্রেণির ১৫ হাজার এবং ‘গ’ শ্রেণির জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া ‘ক’ শ্রেণির আহত ব্যক্তিরা এককালীন অনুদান ৫ লাখ টাকা, ‘খ’ শ্রেণি ৩ লাখ টাকা ও ‘গ’ শ্রেণির আহতরা এককালীন ২ লাখ টাকা করে পাবেন। আহত ব্যক্তিদের জন্য ঢাকার মিরপুরে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রকল্প রয়েছে। তারা আজীবন সম্মানী, চিকিৎসা, পুনর্বাসনসহ অন্যান্য সুবিধাও পাবেন। যেসব জুলাই যোদ্ধা প্রতারণার মাধ্যমে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন এবং যারা তাদেরকে তালিকাভুক্ত করতে সহায়তা করেছেন ও বেআইনিভাবে সরকারের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গেজেট বাতিল হওয়া চট্টগ্রাম জেলার ২৯ জন হলেন- খ শ্রেণির মো. সাগর-গেজেট নাম্বার ৩২৮, গ শ্রেণির আবদুল্লাহ আল নোমান-গেজেট নাম্বার ৪৬৯, নাঈম উদ্দীন সাইদ-গেজেট নাম্বার ৪৯২, মোহা. শরিফুল ইসলাম-গেজেট নাম্বার ৫১৫, শাহাদাত ইকরাজ তাহনি-গেজেট নাম্বার ৫২১, তাহমিনা ইকরাম- গেজেট নাম্বার ৫২২, মাহিবী তাজওয়ার-গেজেট নাম্বার ৫৩৪, জসিম উদ্দিন-গেজেট নাম্বার ৫৪২, মো. আতিকুল ইসলাম-গেজেট নাম্বার ৫৫২, মো. ইয়াছিন-গেজেট নাম্বার ৫৬০, আরফাতুল ইসলাম-গেজেট নাম্বার ৫৯৫, ফরহাদ আলম-গেজেট নাম্বার ৬০১, মোহাম্মদ সাজ্জাদ কবির এমরান-গেজেট নাম্বার ৬০৩, মুনতাসিরুল হক চৌধুরী মামুর-গেজেট নাম্বার ৬১৬, পবন চন্দ্র নাথ-গেজেট নাম্বার ৬২২, মিশকাত আলম রিয়াদ-গেজেট নাম্বার ৬৭৫, মো. এমরান-গেজেট নাম্বার ৭১৭, মোহাম্মদ সাগর-গেজেট নাম্বার ৭৬৮, নূরুল্লাহ-গেজেট নাম্বার ৭৮৯, মোহাম্মদ রাফি-গেজেট নাম্বার ৭৯৯, ফয়সাল মোহাম্মদ শিহাব-গেজেট নাম্বার ৮০২, মোছা. ইছনিয়া আকতার-গেজেট নাম্বার ৮২৪, মো. মাঈনুদ্দীন-গেজেট নাম্বার ৮২৫, সাইমন-গেজেট নাম্বার ১৯৭৩, মো. আরিফ-গেজেট নাম্বার ১৯৭৬, রাসেল-গেজেট নাম্বার ১৯৮৬, রমজান আলী-গেজেট নাম্বার ১৯৮৭, মাহিম চৌধুরী-গেজেট নাম্বার ১৯৯১, রিফাত বিন আল-গেজেট নাম্বার ১৯৯৯।
