সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নগরীর খাজা রোড মাইজপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ, সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান ও সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার। এসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল সহায়তা করে।
জানা গেছে, খাজা রোড এলাকায় বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়া পানি প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণ করছিল সততা প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার। এমনকি পানির ফ্যাক্টরির আড়ালে নিজস্ব নামে নকল স্টারিং পাওয়ার অয়েল তৈরির কারণে ওই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করায় জয়নাব মেডিকেল হল ও জননী মেডিসিন হলকে ১০ হাজার টাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ মিষ্টি বিক্রি করায় আল হাসানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিদপ্তর জানায়, মাইজপাড়ার ‘সততা প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার’ নামের ওই ফ্যাক্টরিটি বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই পানি প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাত করছিল। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির আড়ালে নকল ‘স্টারিং পাওয়ার অয়েল’ উৎপাদন করা হচ্ছিল। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের নিয়মিত অভিযান চলবে।
