মূল সংবাদে যান
অর্থ বাণিজ্য

দুটি টাগবোট রপ্তানি করছে চট্টগ্রাম ওয়েস্টার্ন মেরিন

দেশের স্বনামধন্য জাহাজ নির্মাতা ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড এবার দুটি টাগবোট রপ্তানি করছে।

আমাদের বাংলা সম্পাদকীয় দল
দুটি টাগবোট রপ্তানি করছে চট্টগ্রাম ওয়েস্টার্ন মেরিন

আরব আমিরাতের ক্রেতা প্রতিষ্ঠান মারওয়ান শিপিংকে চলতি মাসেই ‘খালিদ’ ও ‘ঘায়া’ নামের বোট দুটি হস্তান্তর করবে ওয়েস্টার্ন মেরিন। হস্তান্তরের অপেক্ষায় থাকা টাগবোট দুটির মধ্যে খালিদ ৬৪ টন এবং ঘায়া ৮০ টন বোলার্ড পুল (একটি টাগাবোটের অন্য জাহাজকে টানার ক্ষমতা) ক্ষমতাসম্পন্ন। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরব আমিরাতে ‘রায়ান’ নামের একটি ল্যান্ডিং ক্রাফট জাহাজ রপ্তানি করে ওয়েস্টার্ন মেরিন। 'জাহাজ দুটি সম্পর্কে ওয়েস্টার্ন মেরিনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হোসেন জানান, ২০২৩ সালে ওয়েস্টার্ন মেরিন সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের সঙ্গে আটটি জাহাজ নির্মাণের চুক্তি করে। এর মধ্যে দুটি টাগবোট, দুটি লজিস্টিক ক্রাফট এবং চারটি ট্যাংকার রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ৬৫ টন বোলার পুল ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি টাগবোট— ‘খালিদ’ ও ‘ঘাযা’ বর্তমানে নির্মাণাধীন এবং চলতি জুলাই মাসেই ইউএইতে রপ্তানি করা হবে। বাকি ৫টি জাহাজ ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। এর মধ্যে দুটি অয়েল ট্যাংকার ও তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট। আরব আমিরাতের একই ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের (মারওয়ান শিপিং) কাছ থেকে ক্রয়াদেশ পেয়ে ইতোমধ্যে জাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ওয়েস্টার্ন মেরিনের তথ্যমতে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিএ) কাছে দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি রূপসা’ এবং ‘এমভি সুগন্ধা’ হস্তান্তর করবে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। প্রসঙ্গত, ২০১০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ৩১টি জাহাজ রপ্তানি করে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। একই সময়ে, দেশি ক্রেতাদের জন্য কনটেইনার জাহাজ, অয়েল ট্যাংকার, টাগবোটসহ ৫০টি জলযান তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। তবে, করোনা মহামারির কারণে ২০১৯ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হলে প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি কমে যায়। ২০২০ সালে দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ রপ্তানি করলেও গত ৪ বছরে বড় ধরনের কোনো জাহাজ রপ্তানি করেনি তারা।

আমাদের বাংলা সম্পাদকীয় দল

আমাদের বাংলা-এ প্রকাশিত সংবাদ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন