প্রথমার্ধেই বাংলাদেশের মেয়েরা তুলে নেয় ৩-০ গোলের লিড। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই স্কোরশিটে নাম লেখান স্বপ্না রানী। চতুর্থ মিনিটে বাঁ পাশ দিয়ে কাটিয়ে গিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মুনকি আক্তার। এরপর সাগরিকার প্রথম গোল আসে ৩৭ মিনিটে, শিখার ক্রস থারুশিকার পায়ের ফাঁক দিয়ে চলে গেলে সহজ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই দাপট দেখায় লাল-সবুজ শিবির। ৫০ মিনিটে শিখা আক্তারের গোলের পর আসে সাগরিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় গোল—একটি একক প্রচেষ্টা, আরেকটি পূজার কাটব্যাকে নিখুঁত প্লেসিং। মুনকি আক্তার করেন নিজের দ্বিতীয় গোল। এরপর রুপা ও শান্তি মার্দি শেষ মুহূর্তে গোল করে জয়কে আরও বড় করেন।
শ্রীলঙ্কা ইনজুরি টাইমে একটি গোল শোধ করে সম্মান রক্ষা করে।
দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশ এরই মধ্যে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। কিছুদিন আগেই সিনিয়র নারী দল প্রথমবারের মতো এএফসি এশিয়ান কাপে জায়গা নিশ্চিত করে। সেই দলের আটজন রয়েছেন এই অনূর্ধ্ব-২০ দলে, যার ছাপ মাঠে স্পষ্ট। ম্যাচের একাদশেও ছিলেন এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের সেই ৮ খেলোয়াড়।
কোচ পিটার বাটলার বিরতির পর অধিনায়ক আফিদা খন্দকারসহ তিনজনকে তুলে নিলেও দলের গতি কমেনি একটুও। বরং আক্রমণ আরও ধারালো হয়, যার ফল—৯ গোলের বড় জয়।
টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ বাকি দুই দল নেপাল ও ভুটান। দুই দলই আগের দিন বাংলাদেশের শক্তিমত্তার কথা স্বীকার করেছে। এই জয়ের পর তাদের শঙ্কা হয়তো আরও বেড়েছে।
এখন দেখার বিষয়, নিজেদের মাঠে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখে বাংলাদেশ টানা দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২০ নারী সাফ শিরোপা জিততে পারে কিনা।
সংক্ষিপ্ত স্কোরলাইন:
বাংলাদেশ ৯-১ শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের গোলদাতারা: সাগরিকা (৩), মুনকি (২), স্বপ্না, শিখা, রুপা, শান্তি (প্রত্যেকে ১টি করে)
শ্রীলঙ্কার গোলদাতা: লালিয়ান (ইনজুরি সময়ে ১টি)
