মন্ত্রী বলেন, ‘৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশু এ টিকা পাবে। কেউ আগে টিকা নিলেও আবার টিকা গ্রহণে কোনো সমস্যা নেই। তবে যারা বর্তমানে অসুস্থ, বিশেষ করে হাম বা জ্বরে আক্রান্ত এবং হাসপাতালে ভর্তি—তাদের ভিটামিন–এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।’
তিনি জানান,রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে দেশের ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। যেখানে হামের প্রকোপ বেশি, সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই কার্যক্রম চালানো হবে।
প্রথম ধাপে টিকাদান কর্মসূচির আওতাধীন ৩০ উপজেলা হলো - রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০২০ সালের জাতীয় ক্যাম্পেইনের পর জন্ম নেওয়া শিশুরাই এবার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসছে।
হিসাব করে দেখা গেছে, তারা নিশ্চিতভাবে এই টিকা পায়নি। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে কেউ টিকা নিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়বার নিলে কোনো ঝুঁকি নেই—বিশেষজ্ঞরা তা নিশ্চিত করেছেন।’
