বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার এসব প্রকল্প গত আট থেকে দশ বছর ধরে চলমান রয়েছে। এখন এগুলোর সমাপ্তি প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষ পুরোপুরি সুফল ভোগ করতে পারে।
তিনি জানান, চট্টগ্রামের বড় প্রকল্পগুলোর প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তবে ছোট কিছু ‘বটলনেক’ বা জটিলতার কারণে এখনো জনগণ পূর্ণ সুফল পাচ্ছে না। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করাই তাঁর এবারের চট্টগ্রাম সফরের মূল উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের (৩৪ ইসিবি) অধীনে প্রকল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এবারের বর্ষাতেই নগরবাসী এর সুফল পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সিডিএ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন–এর সমন্বয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগ। কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত সমাধান করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রাম ওয়াসা–র সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং আগামী ৩০ জুনের মধ্যে তাদের অংশের কাজ শেষ করার আশ্বাস পাওয়া গেছে। পাশাপাশি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফ্লাইওভারের র্যাম্পের কাজ ডিসেম্বরের পরিবর্তে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। অকুপেন্সি সার্টিফিকেট ছাড়া কোনো ভবনে গ্যাস, বিদ্যুৎ বা পানির সংযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, নকশা অনুযায়ী আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রোমেকানিক্যাল ও প্লাম্বিংসহ পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
এর আগে সকালে চট্টগ্রাম সফরে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন গণপূর্তমন্ত্রী।
