বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে এবং এ বছরেই তা অনুষ্ঠিত হবে। যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারে এলে নানা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এবারের ইরান-সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তবে সরকার এখন পর্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে বলে দাবি করেন তিনি। এর ফলে দেশে এখনো জ্বালানির দাম বাড়েনি বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে গার্মেন্টস খাতে বেতনসংক্রান্ত যে অস্থিরতা দেখা যেত, এবার তা হয়নি। আগাম প্রস্তুতির কারণে এ খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এক মাস পূর্তির প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে এবং বিভিন্ন খাতে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। তবে দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “জুলাই সনদের বিষয়ে আমরা শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেগুলোতে আমরা একমত হয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে আমরা কমিটেড। তবে যেগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, সেগুলো মেনে নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।”
এ বিষয়ে সংসদে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব। সংসদে আলোচনা না করে বাইরে থেকে চাপ সৃষ্টি করা হলে তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
