সালাহউদ্দিন দাবি করেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতি বোঝেন না এবং এ পদ্ধতিতে কখনো ভোটও দেননি। তাঁর ভাষায়, “যারা পিআর নির্বাচনের কথা বলে, তাদের ভোট নেই। নির্বাচন হলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।”
শনিবার (০৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের “যথাসময়ে নির্বাচন ও মৌলিক সংস্কারের দাবি” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন এসব কথা বলেন।
সমাবেশে পিআর পদ্ধতির সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন বলেন, “আমরাও সংস্কার চাই, তবে তা হতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমেই। কিন্তু কেউ কেউ সংস্কারের নামে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্ষমতায় থাকতে চায়। তারা এখন অনুপাতিক নির্বাচনের কথা বলছে। তারা আমাদের এজেন্ট বলে আখ্যা দিচ্ছে, অথচ বিগত সরকারের আমলে দিল্লি থেকেই আমাদের দেশ চালানো হতো।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আর কোনো দেশের তাঁবেদারি মানব না। আমাদের অগ্রাধিকার বাংলাদেশ—এটাই বিএনপির বার্তা।”
সমাবেশের আরেক প্রধান বক্তা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যদি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়, বিএনপিও ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। তখন দেখা যাবে কারা বেশি জনপ্রিয়। আর যারা নির্বাচনের বিরোধিতা করছে, তারাই ভারতের দালাল। ১৭ বছর ধরে আমরা নির্বাচনের জন্য লড়ছি। দেশের সমস্যা আমাদের নিজেদেরই সমাধান করতে হবে।”
শেখ হাসিনার উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, “হাসিনা পালিয়ে গেছে, কিন্তু জনগণ রয়ে গেছে। তারেক রহমানই আজ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের রক্ষাকবচ।”
সমাবেশে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি নিপুণ রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মোজাদ্দেদ আলী, জুয়েল মোল্লা, মোকাররম হোসেন, পাভেল মোল্লা প্রমুখ।
