চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রবিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যার পর আবারও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ফলে অচল হয়ে পড়া চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ধীরে ধীরে সচল হচ্ছে। কাল সোমবার থেকে পুরোদমে কার্যক্রম চালু হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে শনিবার (২৮ জুন) সকাল থেকে কার্যত বন্ধ হয়ে যায় দেশের প্রধান বন্দর ও কাস্টমস কার্যক্রম। এ কর্মসূচির প্রেক্ষিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানো কার্যক্রমও প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে।
এ পরিস্থিতিতে সরকার আজ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সব স্তরের চাকরিকে ‘অত্যাবশ্যকীয় সেবা’ হিসেবে ঘোষণা করে। একইসঙ্গে আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং জানিয়ে দেওয়া হয়—তাঁরা কাজে না ফিরলে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
এই ঘোষণার পর, সন্ধ্যার দিকে আন্দোলনকারী কর্মকর্তারা কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, “আমদানি-রপ্তানিসহ সব ধরনের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।”
কর্মসূচির কারণে গত শনিবার থেকে ঢাকার এনবিআর ভবনসহ দেশের সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দেয়। এতে চট্টগ্রাম বন্দরে সাড়ে তিন হাজার কনটেইনার রপ্তানি না হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমসবিষয়ক সম্পাদক এ এস এম রেজাউল করিম বলেন, “কাস্টমস থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, কার্যক্রম শুরু হয়েছে—আমরাও সদস্যদের তা জানিয়ে দিয়েছি।”
প্রথমে কার্যক্রম শুরু হয় বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতে। কনটেইনার ডিপো সমিতির মহাসচিব রুহুল আমিন জানান, “সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় কাস্টমস কর্মকর্তারা ডিপোতে উপস্থিত হন এবং কাজ শুরু করেন।”
