চট্টগ্রামে স্বাধীনতার স্মৃতি সংরক্ষণে স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নেই, বাড়ছে ক্ষোভ
চট্টগ্রাম থেকে উচ্চারিত হয়েছিল স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এ শহরে এখনো গড়ে ওঠেনি কোনো স্থায়ী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ।

চট্টগ্রাম থেকে উচ্চারিত হয়েছিল স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এ শহরে এখনো গড়ে ওঠেনি কোনো স্থায়ী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ।

পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর ছুটি শেষ হলেও চট্টগ্রাম পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে এখনো কমেনি মানুষের ঢল। বিশেষ করে রাঙামাটি, চট্টগ্রাম নগরী এবং মিরসরাইয়ের বিভিন্ন স্পটে এখনো বইছে ঈদের আমেজ।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চট্টগ্রামই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গণহত্যার শিকার হয়েছিল। এই হত্যাকান্ডের সূত্র ধরে চট্টগ্রাম থেকেই মহান স্বাধীনতার ডাক এসেছিল। এ জন্য চট্টগ্রাম গৌরবের জায়গা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী, পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে রদবদল করা হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে পদায়ন ও বদলি করা হয়েছে।
যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায়, সে জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার এই গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। তাই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বীরত্বগাথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ইমেইলে পান