রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বন্দর সম্মেলন কক্ষে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী বলেন, “সংস্থাভিত্তিক ¯^ার্থের বাইরে গিয়ে যদি রাষ্ট্রের ¯^ার্থকে বড় করে দেখা যায়, অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব|”
সভায় টারিফ কাঠামো, শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধি এবং কাস্টমস কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ইস্যু উঠে আসে| এসব বিষয়ে ঢাকায় ফিরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী|
কাস্টমস কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “শুধু ব্যাখ্যা দিলে হবে না, সময়োপযোগী কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে| কোনো সংস্থার অদক্ষতার কারণে বন্দরের সম্ভাবনা নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না|”
আলাদা করে আলোচনা করার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর এখন শুধু সম্ভাবনাময় নয়, এটি একটি প্রতিষ্ঠিত পোর্ট| আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সামনে বড় সুযোগ রয়েছে| এই সুযোগ কাজে লাগাতে সমš^য় বাড়াতে হবে, প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হবে|”
কন্টেইনার জট ও অপারেশনাল সমস্যার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাজ করতে গেলে কিছু সমস্যা থাকবেই, তবে লক্ষ্য হওয়া উচিত এসব সীমিত রেখে বৃহত্তর অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করা|
আলোচনায় অনেক সময় সবাই নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে তুলে ধরেন, কিন্তু বাস্তবে ব্যবসা সচল রয়েছে এবং প্রবৃদ্ধিও হচ্ছে| দীর্ঘমেয়াদি লাভ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ¯^ার্থ মাথায় রেখেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে|
রেলপথে কার্গো পরিবহন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রায় ৪ শতাংশ কার্গো রেলে পরিবহন হলেও তা ১৬ থেকে ১৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে|
দুপুরে বন্দর এলাকার এনসিটি-৫ জেটি পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর যেভাবে এগিয়েছে তা ইতিবাচক, তবে আরও উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে| সমšি^তভাবে কাজ করলে এ সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব|
কিছু নতুন প্রকল্প পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে| পাশাপাশি ল্যান্ডলর্ড মডেল বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ রয়েছে, যা কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে|
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরাšি^ত করতে যে খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে, তার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর অন্যতম|
