রবিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচার Agora Super Shop-এ দেখা যায়, এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার ২০০ টাকা, ৫০০ গ্রামেরটি ১ হাজার ২০ টাকা এবং ৩০০ গ্রামের ইলিশ ৩৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
দাম শুনে অনেক ক্রেতাই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবু আলী নামের এক ক্রেতা বলেন, “বাচ্চাদের জন্য বৈশাখে ইলিশ কেনার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু দাম শুনে তা আর সম্ভব হচ্ছে না।”
বিক্রেতারা জানান, বড় আকারের ইলিশ বাজারে কম আসায় দাম বেড়েছে। একই চিত্র রাজধানীর অন্যান্য সুপারশপ ও কাঁচাবাজারেও।
খিলগাঁও রেলগেট বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ ৩ হাজার ৭০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের (৩০০ গ্রাম বা কম) ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ কম থাকায় এই ঊর্ধ্বমুখী দাম।
এক মাছ বিক্রেতা বিজয় বলেন, “চাহিদার তুলনায় বাজারে ইলিশ কম। আড়ত থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।”
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক ক্রেতাই ইলিশের দাম শুনে কিনতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, বৈশাখের আগে এক সপ্তাহ ধরে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
বিক্রেতারা জানান, গত এক সপ্তাহে কেজিপ্রতি ইলিশের দাম বেড়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। এর পেছনে কারণ হিসেবে তারা বলছেন, নদীতে ইলিশের স্বল্পতা এবং জাটকা ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা।
ক্রেতাদের দাবি, উৎসবের আমেজ ধরে রাখতে বাজারে নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন, যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়
