চেম্বারের ২৪টি পরিচালক পদের মধ্যে এবার ১৮টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ৬ পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। তবে ২০১৩ সালের পর দীর্ঘ এক যুগেও ভোট দিতে না পারায় এবারো ভোট প্রদান নিয়ে শঙ্কায় আছেন ভোটাররা।
জানা যায়, সর্বশেষ এই চেম্বারে ভোট হয়েছিল ২০১৩ সালে। এরপর সব কমিটি গঠিত হয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। গত বছরের ১১ আগস্ট তফসিল ঘোষণার পর দীর্ঘদিন পর ভোটের আশা জাগে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। গত ১ নভেম্বর ভোট হওয়ার কথা থাকলেও চেম্বারের দুই শ্রেণিকে ‘পকেট ভোটার’ দাবি করে একটি পক্ষ প্রথমে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং পরে আদালতের দ্বারস্থ হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একপর্যায়ে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।
চট্টগ্রাম চেম্বারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ৩০ অক্টোবর স্থগিত হওয়া নির্বাচন আগামী ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মারকের আইনগত মতামতের ভিত্তিতে অর্ডিনারি ও অ্যাসোসিয়েট গ্রুপের মোট ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে।
চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন বোর্ডের প্রধান ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মনোয়ার বেগম বলেন, চেম্বারের পর্ষদ হবে ২৪ সদস্যের। টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ৬ পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সেখানে ভোট গ্রহণ হবে না। বাকি ১৮ পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে পরিচালক নির্বাচিত হন। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন। তবে এবার টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণির ৬ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২ সেপ্টেম্বর চেম্বারের পুরো পর্ষদ পদত্যাগ করে। এরপর থেকে প্রশাসকের মাধ্যমে চেম্বারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
