—মাসের পর মাস ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। বর্ষায় এসব সড়ক কাদা ও পানিতে পরিণত হয়ে পণ্য পরিবহনে বড় ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।
দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাইয়ের এই সড়কগুলো দিয়ে প্রতিদিন দুই হাজারের বেশি ট্রাক, মিনি ট্রাক ও ছোট যানবাহন চলাচল করে। চাল, ডাল, মসলা, ভোজ্যতেলসহ বিপুল পণ্য ওঠা–নামায় এসব সড়কই প্রধান ভরসা। কিন্তু ভাঙা রাস্তায় ইট–পিচ উঠে গেছে, খানাখন্দে জমেছে কাদা। এতে ছোট যানবাহন ও ঠেলাগাড়ি প্রায়ই কাত হয়ে পড়ে, ট্রাক চলাচল করে ঝুঁকি নিয়ে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভাঙা সড়কের কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বৃষ্টিতে পণ্য ওঠা–নামার খরচ বেড়ে যাচ্ছে, শ্রমিকেরা কাদায় কাজ করতে অনীহা দেখাচ্ছেন, আর চালকেরা বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন। অনেকে বাজারে ঢুকতেও চান না।
চাক্তাই শিল্প ও ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আহসান খালেদ জানান, সাত–আট মাস ধরে এ অবস্থা চলমান, বিশেষ করে রাজাখালী ও মধ্যম চাক্তাই সড়ক সবচেয়ে খারাপ। সহসভাপতি ওমর আজমের অভিযোগ—রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙা সড়কের দুর্ভোগ মিলিয়ে ব্যবসায় আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে এবং যেসব স্থানে কাজ হয়নি, সেসব মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।