শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার মাইঝ পাড়া মাহমুদুন নবী চৌধুরী স্কুলের সামনে ও হাদী পাড়ায় বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন|
অর্থমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত দুর্গত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে| পাশাপাশি প্রায় ৪০ হাজার মানুষের জন্য রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে| ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা চলবে| ত্রাণ বিতরণের পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে| বিশেষ করে কৃষকদের জন্য সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে|
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বন্যা-পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য ¯^াস্থ্যঝুঁকি ও রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে| প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে কোনো সংক্রমণ বা রোগ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়| যতদিন পর্যন্ত পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পন্ন না হবে, ততদিন সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে| পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ শেষে অর্থমন্ত্রী বন্যাকবলিত চন্দনাইশ, দোহাজারী ও সাতকানিয়া এলাকার দুর্গত মানুষদের খোঁজখবর নিতে এবং সেখানে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নিতে রওনা হন|
