তিনি বলেছেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও নাগরিক দুর্ভোগসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমšি^তভাবে কাজ করবে সিডিএ| আমার দায়িত্ব পালনের মূল ভিত্তি হবে সততা, ¯^চ্ছতা ও জবাবদিহিতা|
রবিবার (১৪ জুন) ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফিরে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন|
বেলায়েত হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম এখনও নানা নগর সমস্যায় জর্জরিত| এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), ওয়াসা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো), কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল), ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমš^য় গড়ে তোলা হবে|
চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে| সমšি^ত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরবাসীকে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া হবে|
সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, ˆবজ্ঞানিক ও যুগোপযোগী নগর পরিকল্পনার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও টেকসই নগরে পরিণত করতে হবে| এ জন্য নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে|
পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সময় প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়া হবে| বিশেষ করে পাহাড়, জলাধার ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে|
দায়িত্ব পালনে সততা, ¯^চ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বেলায়েত হোসেন বলেন, ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ¯^ার্থের ঊর্ধ্বে উঠে নগরবাসীর কল্যাণ এবং চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য|
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম নগর ও সিডিএর ¯^ার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন তিনি| প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নগরের ¯^ার্থ রক্ষায় জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছেন|
