রাঙামাটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

ঈদের ছুটি শেষে অফিস-আদালত খুললেও কাপ্তাই হ্রদ, ঝুলন্ত সেতু (রাঙামাটি), সুবলং ঝরনা এবং সাজেক-এ পর্যটকদের ভিড় কমেনি।
ঝুলন্ত সেতু এলাকায় প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থী ভিড় করছেন। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে ৪ হাজারের বেশি টিকিট বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল জোরদার রয়েছে।
এদিকে সাজেকের রুইলুই পর্যটনকেন্দ্রে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সব রিসোর্ট ও কটেজ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। কক্ষ না পেয়ে অনেক পর্যটককে ফিরে যেতে হচ্ছে।
বিনোদনকেন্দ্র ও নৌভ্রমণে বাড়তি আকর্ষণ
পলওয়েল পার্ক-এও দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। দুই দিনে টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছে তিন লাখ টাকার বেশি। পার্কের দোলনা, সুইমিং পুল ও হ্রদের দৃশ্য উপভোগে ব্যস্ত দর্শনার্থীরা।
অন্যদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যটক নৌযান ভাড়া নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় বোট মালিক সমিতি।
পতেঙ্গা সৈকতে অব্যাহত ঈদের আমেজ

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত-এ বিকেলের দিকে এখনো উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। শিশুদের দৌড়ঝাঁপ, তরুণদের আড্ডা, সেলফি তোলা ও সূর্যাস্ত উপভোগে মুখর পুরো সৈকত এলাকা।
সৈকতসংলগ্ন ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানগুলোতেও ব্যাপক ভিড়, যা বিক্রেতাদের ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কিছুটা ভোগান্তির কথাও জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা।
নগরীর অন্যান্য বিনোদনকেন্দ্রেও ভিড়
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক এবং সি ওয়ার্ল্ড ওয়াটার পার্ক-সহ নগরের বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রেও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।
মিরসরাইয়ের ঝরনা ও ইকোপার্কে পর্যটকের ঢল

মিরসরাই উপজেলার মহামায়া ইকোপার্ক, খৈয়াছড়া ঝরনা, রূপসী ঝরনা এবং মুহুরী প্রজেক্ট-সহ প্রায় ১৮টি পর্যটন স্পটে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্গম ঝরনাগুলোতে গাইড ছাড়া না যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
