২২ অক্টোবর মঙ্গলবার প্যাসিফিক গ্রুপের সেই ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর স্বাক্ষরিত এক নোটিশে খোলার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়, যা ৩৫ সহস্রাধিক শ্রমিকের মধ্যে স্বস্তি এনেছে।
নোটিশে বলা হয়, গত ১৬ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা কারখানাগুলো ২৩ অক্টোবর থেকে পুনরায় চালু হবে। সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিককে নির্ধারিত তারিখে নিজ নিজ বিভাগে উপস্থিত থেকে উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে। যে আটটি কারখানা খোলা হচ্ছে সেগুলো হলো- প্যাসিফিক জিন্স-১, প্যাসিফিক জিন্স-২, প্যাসিফিক অ্যাটায়ারস, প্যাসিফিক অ্যাক্সেসরিজ, প্যাসিফিক ওয়ার্কওয়্যারস, ইউনিভার্সেল জিন্স, এইচটি ফ্যাশন ও জিন্স ২০০০।
প্যাসিফিক গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার সুহৃদ চৌধুরী জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা হওয়ায় এবং কাজের উপযোগী পরিবেশ ফেরায় কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর থেকে প্যাসিফিক গ্রুপের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করেন। ১৬ অক্টোবর সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন অনুযায়ী কারখানাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছিল। প্যাসিফিক গ্রুপ সিইপিজেডের অন্যতম বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান।
