রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দরের পোর্ট লিমিটের অন্তর্গত কর্ণফুলী নেভিগেশনাল চ্যানেল ও সমুদ্র এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উভয় পক্ষ এই চুক্তিতে সই করে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের এলাকা সম্প্রসারিত হওয়ায় হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের কাজের পরিধি বহুগুণ বেড়েছে। কোস্টাল ইকোসিস্টেম, কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট, ড্রেজিং, কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট ও নেভিগেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে যৌথ মনিটরিং ও হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ আন্তর্জাতিক মানের চার্ট প্রকাশের পাশাপাশি বৈশ্বিক হাইড্রোগ্রাফিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথ জরিপ, কারিগরি সহায়তা, তথ্য আদান-প্রদান, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য সহযোগিতায় একসঙ্গে কাজ করবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “এই সমঝোতা স্মারক কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দুই সংস্থার অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”
অনুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষে সদস্য (হারবার ও মেরিন) এবং নৌবাহিনীর পক্ষে চিফ হাইড্রোগ্রাফার সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
