আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩৩ কোটি টাকা বেশি। গতকাল রবিবার শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি, বকেয়া আদায় ও বিভিন্ন খাতের আয় বাড়ায় এই রেকর্ড অর্জন সম্ভব হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয় ২৭০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা হলেও ব্যয় হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। আগের বছর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আয় হয়েছিল ২৩৭ কোটি টাকা এবং ব্যয় ৩৬ কোটি টাকা।
এর আগের বছর ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় হয়েছিল ২২৫ কোটি টাকা ও ব্যয় ৩৩ কোটি টাকা। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আয় ছিল মাত্র ৭৯ কোটি টাকা এবং ব্যয় হয়েছিল ২৭ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে মাত্র ৩০ কোটি টাকা এবং ব্যয় হয়েছিল ২৬ কোটি টাকা। করোনা পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ফলে বিমানবন্দরের আয় রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ২০০০ সালে জাপানি উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক রূপ পাওয়া শাহ আমানত বিমানবন্দরে বর্তমানে নতুন অ্যাপ্রোন যুক্ত করায় একসঙ্গে ২০টিরও বেশি উড়োজাহাজ রাখা সম্ভব হচ্ছে। এতে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী প্রবাহও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
