বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) পর্যন্ত বহির্নোঙরে ২৩টি মাদার ভ্যাসেল কয়েক লাখ টন পণ্য নিয়ে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। কর্ণফুলী নদীতে অলস পড়ে আছে ২৩৮টি লাইটারেজ জাহাজ।
বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেশন সেলের (বিডব্লিউটিসিসি) নির্বাহী পরিচালক মেজর (অব.) জিএম খান জানান, “সাগরের ঢেউ এতটাই ভয়াবহ যে, লাইটারেজ জাহাজ মাদার ভ্যাসেলের গায়ে ভিড়তে পারছে না। এতে জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।”
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে গম, ভুট্টা, চিনি, সার, স্ক্র্যাপ, কয়লাসহ নানা পণ্য আমদানি হয়। এগুলোর বড় অংশ বহির্নোঙরে লাইটারেজ জাহাজে খালাস করা হয়।
বন্দর সূত্র জানায়, সময়মতো পণ্য খালাস না হওয়ায় প্রতিদিন নতুন জাহাজ যুক্ত হচ্ছে অপেক্ষমাণ তালিকায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এ সংকট দীর্ঘায়িত হলে আমদানি খরচ বাড়বে এবং সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।
লাইটারেজ জাহাজে পণ্য দিয়ে বহির্নোঙর থেকেই জাহাজগুলো ফিরতি পথ ধরে। আবার কিছু কিছু জাহাজ বহির্নোঙরে কিছু পণ্য খালাস করে জাহাজের ড্রাফট কমিয়ে পরবর্তীতে বন্দরের জেটিতে এসে বাকি পণ্য খালাস করে। এভাবে বহির্নোঙরে বছরে অন্তত কয়েক কোটি টন পণ্য হ্যান্ডলিং হয় বলেও সূত্র জানিয়েছে।
