অনেক সবজির কেজি এখন ৭০ থেকে ৯০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা সাধারণ মধ্যবিত্তের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে শুক্রবার (০৪ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়, প্রতি কেজি চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, ধন্দুল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটল প্রতি কেজি ৭০ টাকা, কাঁকরোল প্রতি কেজি ১০০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, গাঁজর প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং আলু প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম বাড়লেও লাভের পরিমাণ কমে গেছে। বাজারে চাপ সামলাতে অনেকে বিকল্প হিসেবে মৌসুমি ফল কিংবা ডাল-চাল নির্ভর খাবারে ঝুঁকছেন। অনেক সবজির মৌসুম শেষ, ফলে সরবরাহ কমেছে। স্বাভাবিকভাবেই দাম বেড়েছে। নতুন মৌসুমের সবজি না উঠা পর্যন্ত দাম এমনই থাকবে। চকবাজারের সবজি বিক্রেতা নুর আলম বলেন, ‘পাইকারি বাজারে থেকেই দাম বেশি। আমরা আগের মতো ১০ থেকে ২০ কেজি করে আনতে পারছি না। এখন ৫ থেকে ৭ কেজি আনতে হচ্ছে। বিক্রিও কমে গেছে।’
সবজির দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের খাদ্যতালিকায়। ক্রেতারা আগের তুলনায় অনেক কম পরিমাণে সবজি কিনছেন। অনেকে সবজির বদলে কিনে নিচ্ছেন মাছ কিংবা মাংস। কাজীর দেউরি বাজারে বাজার করতে আসা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সবজির বাড়তি দামের কারণে অতি প্রয়োজনীয় ব্যতীত কিনতে পারি না। কিনলেও আধা কেজি করে নিতে হচ্ছে। হঠাৎ করে কেন সবজির দাম এমন বেড়ে গেল, বুঝতে পারছি না। বেশীরভাগ ব্যবসায় সিন্ডিকেট তৈরী করে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়। সেক্ষেত্রে প্রশাসনের নজরদারির সাথে সাথে কঠোর মনিটরিংয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
