আন্তর্জাতিক সংস্থা ক্লাসএনকে'র মাধ্যমে হংকং কনভেনশন বাস্তবায়নের পাঁচ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (০৩ জুলাই) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে পিএইচপির নিজস্ব শিপইয়ার্ডে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপান ও বাংলাদেশের শীর্ষ মেরিটাইম কোম্পানি ও সরকারি প্রতিনিধিরা। প্রধান অতিথি ছিলেন ক্লাসএনকে’র এঙিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. ইয়ামাগুচি, বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপান দূতাবাসের মিনিস্টার ও ডেপুটি চিফ অব মিশন তাকাহাশি নাওকি।
পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “এই মাইলফলক আমাদের টেকসই উন্নয়ন, শ্রমিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন।”
পিএইচপি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম জানান, “গত এক দশকে আধুনিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ সম্মত অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা ১৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছি। এমওএল ও এনওয়াইকে লাইনের জাহাজগুলো দুর্ঘটনামুক্তভাবে রিসাইকেল করেছি।”
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শ্রমিকদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে হংকং কনভেনশনের সনদপ্রাপ্তির পাঁচ বছর পূর্তি উদযাপন করেন এবং শিপইয়ার্ডটি ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন শেষে ড. ইয়ামাগুচি বলেন, “বাংলাদেশের শিপ রিসাইক্লিং শিল্প আন্তর্জাতিকভাবে সম্মান অর্জন করছে। হংকং কনভেনশন বাস্তবায়ন এই খাতকে টেকসই ও নিরাপদ রূপে রূপান্তর করছে।” তাকাহাশি নাওকি পিএইচপির কার্যক্রমে পরিবেশ সচেতনতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় শিল্প খাতে হংকং কনভেনশনের বাস্তবায়ন নিয়ে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে জহিরুল ইসলাম বলেন, “যেসব ইয়ার্ড এখনো এই মানে পৌঁছাতে পারেনি, তাদের পুনর্গঠনে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রয়োজন রয়েছে। সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সহায়তা পেলে পুরো শিল্পটিই রূপান্তরিত হতে পারে।”
