শনিবার দুপুরে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “শুনছি, গুরুত্বপূর্ণ ১০ থেকে ১১টি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করা হবে না। এর মধ্যে গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সম্পর্কিত অধ্যাদেশ রয়েছে, যেগুলো অত্যন্ত জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট।”
তিনি অভিযোগ করেন, এসব অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে পূর্বের স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থাই বহাল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। “যারা এই অধ্যাদেশগুলো প্রণয়ন করেছিলেন, তাদেরই এখন এ বিষয়ে কথা বলতে হবে,” বলেন তিনি।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, “কেন এসব অধ্যাদেশ করা হয়েছিল, আর এখন কেন বাতিল করা হচ্ছে—তা জনগণকে জানাতে হবে।”
ড. ইউনূসের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “তাকে মুখ খুলতে হবে। এই অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়া তৈরি করে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন যদি এগুলো বাতিল হয়ে যায় এবং কোনো সংস্কার না হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে যে অর্জন হয়েছে, তা ধরে রাখতে হলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাঠে নামতে হবে।”
