মূল সংবাদে যান
রাজনীতি

সরকারের বাস-ট্রাকের আয়ু নির্ধারণকে মালিকরা বলছেন “মরার উপর খড়ার ঘা”

বাস, মিনিবাস এবং ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের 'অর্থনৈতিক আয়ু' (ইকোনমিক লাইফ) নির্ধারণের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বৃহত্তর চট্টগ্রাম গণ ও পণ্য পরিবহন মালিক ফেডারেশন।

আমাদের বাংলা সম্পাদকীয় দল
সরকারের বাস-ট্রাকের আয়ু নির্ধারণকে মালিকরা বলছেন “মরার উপর খড়ার ঘা”

বাস, মিনিবাস এবং ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের 'অর্থনৈতিক আয়ু' (ইকোনমিক লাইফ) নির্ধারণের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বৃহত্তর চট্টগ্রাম গণ ও পণ্য পরিবহন মালিক ফেডারেশন। সংগঠনটি একে “মরার উপর খড়ার ঘা” হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

সোমবার (৩০ জুন) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব মো. হুমায়ুন কবীর সোহেল বলেন, “ডলার মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি ও যন্ত্রাংশের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন মালিকরা আগে থেকেই বিপর্যস্ত। এর মধ্যে ২০ থেকে ২৫ বছরের গাড়ির আয়ু নির্ধারণ করা মানে খাতটিকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া।”

প্রসঙ্গত, ১৯ জুনের প্রজ্ঞাপনে বাস-মিনিবাসের সর্বোচ্চ বয়স ২০ বছর এবং ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের ২৫ বছর নির্ধারণ করে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে আরও কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়, যেমন - ঢাকার বাইরে নতুন ইকোনমিক লাইফ প্রজ্ঞাপন স্থগিত করা, গাড়ির আয়ু ও নীতিমালা নির্ধারণে বিভাগীয় মালিক প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা, বাণিজ্যিক মোটরযানের অগ্রিম আয়কর ও বিআরটিএ ফি আগের মতো বহাল রাখা, প্রাইভেট কোম্পানির কাছে ফিটনেস পরীক্ষা হস্তান্তরের বিরোধিতা, বিআরটিএ’র আধুনিকায়ন এবং লজিস্টিক সহায়তা জেলায় জেলায় সম্প্রসারণ, ২০১৮ সালের ‘কালো আইন’ সংশোধন, অঞ্চলভিত্তিক বাস্তবতা বিবেচনায় নীতিনির্ধারণ।

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, যদি এই সিদ্ধান্ত বাতিল বা স্থগিত না করা হয়, তবে গণ ও পণ্য পরিবহন খাতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হলে মালিকদের কিছুই করার থাকবে না। ‍ৃতিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সব স্টেকহোল্ডার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ করে বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে—অন্যথায় এ সিদ্ধান্ত দেশে সড়ক পরিবহন খাতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পারে।

সম্পর্কিত বিষয়

  • ইকোনমিক লাইফ
  • চট্টগ্রাম
  • স্টেকহোল্ডার
  • বিআরটিএ
  • পরিবহন মালিক

আমাদের বাংলা সম্পাদকীয় দল

আমাদের বাংলা-এ প্রকাশিত সংবাদ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন