দণ্ডপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দিন ওরফে কুসুম সীতাকুণ্ড থানার ছলিমপুর এলাকার মৃত মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে| একই মামলায় অপর আসামি মোহাম্মদ নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে| রবিবার (৩ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন|
বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকারম হোসেন জানান, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় গিয়াস উদ্দিনকে পাঁচ বছর এবং ৪২০ ধারায় এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে| এছাড়া মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ ধারায় আরও পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে|
তিনি আরও জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৪৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৫ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে| অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে| রায়ের সময় গিয়াস উদ্দিন পলাতক ছিলেন| আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন|
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, সীতাকুণ্ড উপজেলার ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন এবি ব্যাংক লিমিটেডের জুবিলি রোড শাখা থেকে ˆবদেশিক ও স্থানীয় এলসি খোলার মাধ্যমে প্রায় ৪৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৫ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন| এলসির বিপরীতে আমদানি করা পণ্য ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে না রেখে বিক্রি বা অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয় এবং ঋণের অর্থ পরিশোধ করা হয়নি|
এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ এবি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন| তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়| ২০২১ সালের ৭ নভে¤^র আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন|
