এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আইআইইউসির ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলী আজাদী। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সিসিএ’র সভাপতি মুহাম্মদ সেলিম জামান। স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রো-ভিসি ড. শামীম উদ্দীন খান, প্রফেসর ড. আবদুল মান্নান, আইআইইউসির ট্রেজারার প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর এমদাদ হোসেন, রফিকুল হায়দার, ড. চৌধুরী আবদুল হালিম।
প্রধান অতিথি বলেন, অপসংস্কৃতি রোদে শুদ্ধ সংস্কৃতির অনেক বেশি সাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে কালচারাল একাডেমীকে অনন্য ভূমিকা রাখতে হবে। গত ১৬ বছর ইসলাম ও ইসলামী সংস্কৃতির উপর যেভাবে নিপীড়ন চলছে জুলাই আন্দোলনের বিপ্লবীদের মাধ্যমে মুক্তির সোপান অর্জন করেছে। যদি আন্দোলনের পূর্ণতা অর্জন করতে না পারি তাহলে ফ্যাসিজম আবার বাসা বাধতে চেষ্টা করবে। স্বৈরশাসক বাংলার মাটিতে আর কখনো স্থান দেওয়া যাবেনা।
সাংস্কৃতিক ও নাটিকা পরিবেশন করেন চট্টলা গানের দল, কর্ণফুলী থিয়েটার, পানজেরী ও পারাবার শিল্পীগোষ্ঠী। শুরুতে অর্থসহ কুরআন তেলাওয়াত করেন সিসিএ’র বিশিষ্ট শিল্পী হাফেজ সাফায়েত হোসেন, হামদে বারী তায়ালা পরিবেশন করেন সিসিএ’র শিল্পী গোলাম মোস্তফা।
বক্তরা বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদ ও আহতদের চির স্মরণ রাখতে হবে। ৩৬ জুলাই আন্দোলন ফ্যাসিস্টদের পতন মাইলফলক হয়ে থাকবে।
সিসিএ এর সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফুর ও মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফার পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, বিশিষ্ট সাংবাদিক মুহাম্মদ উল্লাহ, এস এম লুৎফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসাইন, সিসিএ নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ এনামুল হক, শাহেদুল করিম খান, অধ্যক্ষ আরিফ বিল্লাহ, মোবারক হোসেন, রহমত উল্লাহ প্রমূখ।
