জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাঁকে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নিশাদুজ্জামানের আদালত এই রায় দেন। ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এই রায় দেন।
মামলা নথি থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ২ মে সকালে নগরের ইপিজেড থানার নিউমুরিং এলাকার শাহীন শাহ টাওয়ারের পাশে একটি ঘর থেকে মাহফুজ রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়। আসামিরা ভিকটিমের হাত-পা বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে পালখিন ও স্কচটেপ মেরে মুখ আটকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে ভিকটিমের গলায় নাইলনের রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে দোতলা ভবনের সিঁড়ির গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি আসামি বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এম. এ. এম আজাদ জানান, ইপিজেড থানার মাহফুজুর রহমান হত্যা মামলায় সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তানভীর মোহাম্মদ সজীব ও মো. হৃদয়কে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেকে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অন্য আসামি মো. আহসানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
